মাত্র দুই সপ্তাহে ওজন কমানোর ম্যাজিক পানীয়

সাস্থ্যকথা/হেলথ-টিপস February 28, 2017 1,310
মাত্র দুই সপ্তাহে ওজন কমানোর ম্যাজিক পানীয়

ডায়েটে পড়ছে টান। সঙ্গে সকাল-বিকাল হাঁটা তো আছেই। তবুও ওজন যাচ্ছে বেড়ে। শুধু কী তাই, পেটের পরিধি এমন হচ্ছে যে লার্জ সাইজও কম পড়ছে! এখন কী করণীয় ভেবে পাচ্ছেন না তো? চিন্তা নেই! এখানে রইল এমন একটি পানীয়ের ফর্মূলা যা নিয়মিত খেলে মাত্র দু’সপ্তাহেই ওজন যাবে কমে। বিশ্বাস হল না নিশ্চয়! কোনও অসুবিধা নেই। ঘরোয়া এই ওষুধটির কোনও সাইড অ্যাফেক্ট নেই। তাই একবার তর্কের খাতিরেই ট্রাই করে দেখুন না।


প্রসঙ্গত, অতিরিক্ত ওজনের কারণে শুধু খারাপ দেখতে লাগে না। সেই সঙ্গে শরীরও খারাপ হতে শুরু করে। তাই তো ঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াটা জরুরি। নাহলে কিন্তু বিপদ বাড়বে। প্রসঙ্গত, দিন যত গড়াতে থাকে তত আমাদের হজম ক্ষমতা কমে যায়। তাই রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই পানীয়টি খেলে ওজন কমার হার বেড়ে যায়। এটি বানাতে প্রয়োজন পড়বে শশা, লেবু, পার্সলে শাক, আদা, অ্যালো ভেরা এবং এক গ্লাস জল।


১. অ্যালো ভেরা

এক চামচ অ্যালো ভেরা জুসের প্রয়োজন পড়বে এই পানীয়টি বানাতে। এই প্রাকৃতিক উপাদনটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা হজম শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে ওজন কমতে শুরু করে।


২. পার্সলে শাক

একটা ছোট পার্সলে শাকের আঁটি কিনে আনেন বাজার থেকে। তারপর শাকটা ভাল করে ধুয়ে কেটে ফেলুন। পার্সলে শাক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। আর একথা তো সকলেরই জানা যে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরে চর্বি জমতে দেয় না। আর যদি চর্বিই না জমে, তাহলে ওজন বাড়বে কীভাবে!


৩. লেবু

এতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা চর্বি গলানোর পাশপাশি শরীর থেক ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, এই পানীয়টি বানাতে একটা লেবুর প্রয়োজন পরবে।


৪. আদা

এটিও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পরিপূর্ণ। তাই তো এই পানীয়টি বানাতে আদার প্রয়োজন পরবে। কারণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চর্বি ঝড়িয়ে অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য় করে। এক চামচ আদা মেশাতে হবে পানীয়টি বানানোর সময়।


৫. শশা

এই ঘরোয়া ওষুধটি বানাতে প্রয়োজন পড়বে একটা শশার। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় ওজন কমাতে কার্যকরি ভূমিকা নেয়।


পানীয়টি বানানোর পদ্ধতি

ব্লেন্ডারে পরিমাণ মতো সবকটি উপকরণ দিয়ে ভাল করে মেশান। সঙ্গে হাফ গ্লাস জল মেশাতে ভুলবেন না। প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন এই পানীয়টি খেলে পেটের চর্বি তো কমবেই, সেই সঙ্গে সামগ্রিক ওজনও কমতে শুরু করবে। যতদিন না ওজন অনেকটা কমে যাচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত খেতে হবে পানীয়টি।