সম্পর্কে আর্থিক পরিকল্পনা

লাইফ স্টাইল February 9, 2017 678
সম্পর্কে আর্থিক পরিকল্পনা

সঙ্গীর বিলাসিতা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যাচ্ছে এমন চিন্তা প্রায় ভাবিয়ে তোলে অনেককেই। তবে সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কায় সিংহভাগই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে পারেন না।


সম্পর্কে কোনো কুপ্রভাব না ফেলে প্রিয়জনের সঙ্গে টাকা খরচ নিয়ে কীভাবে কথা বলা যায় তার কিছু উপায় দিয়েছে সম্পর্কবিষয়ক এক ওয়েবসাইট।


পারিবারিক আর্থিক অবস্থা: পারিবারিক আর্থিক অবস্থা ও খরচের হাত সম্পর্কে সঙ্গিকে জানানো অত্যন্ত জরুরি। কারণ আপনার খরচের অভ্যাসটা গড়ে ওঠে এই বিষয়গুলোর উপর ভিত্তি করেই, যা বদলানো দুষ্কর। আর এবিষয়ে আলোচনা করার সময় মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া কিংবা বাড়িয়ে বলা উচিত না।


আলোচনার সময়: আর্থিক বিষয় নিয়ে আলোচনার করার উপযুক্ত সময় সকালবেলা, রাতে ঘুমানোর আগে নয়।


সম্পর্কবিষয়ক ভারতীয় পরামর্শদাতা অঞ্জলি সাব্রিয়া বলেন, “সকালে ঠাণ্ডা মাথায় এই আলোচনা করলে সারাদিন সেই অনুযায়ী কাজ করা হবে। দিন শেষে মানসিকভাবে বেশির মানুষই বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন, তাই আলোচনা পরের দিন পর্যন্ত গড়ানোর সম্ভাবনাই বেশি। ফলে সারারাত এই বিষয় নিয়ে মৃদু মন কষাকষির অবস্থা তৈরি হতে পারে।”


আলোচনা হবে শান্ত গলায়: ভারতীয় মনোবিজ্ঞানি সিমা হিঙ্গোরানি বলেন, “আর্থিক অবস্থাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে তা সম্পর্কের উপর বাজে প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থ একটি প্রয়োজনীয় সম্পদ। তবে তা সম্পর্কে কেন্দ্রবিন্দু নয়। তাই এবিষয়ে কথা বলতে হবে শান্তভাবে, স্বচ্ছতার সঙ্গে। আর খেয়াল রাখতে হবে, আলোচনা যাতে বাণিজ্যিক না শোনায়।”


দুজনেই একই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করতে হবে, পাশাপাশি পরস্পরের শখের প্রতিও শ্রদ্ধাশিল হতে হবে। দুজনের শখ ভিন্ন হতে পারে, তাই দুজনের সিদ্ধান্তেই কিছু অর্থ শখ পূরণের জন্য তুলে রাখা ভালো। এতে শখ পূরণ করতে গিয়ে কাউকেই হিমশিম থেতে হবে না।


কিছু জরিপ

শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ বিবাহিত দম্পতির মাঝেই আর্থিক অবস্থা নিয়ে কলহ হয়। যা দাম্পত্য কলহের কারণ হিসেবে রাতের খাবারের তালিকা অপছন্দ, যৌনমিলন, এক-অপরকে সময় দেওয়া, গৃহস্থালী কাজ করা ইত্যাদির থেকে বেশি।


নিজের কেনাকাটা সম্পর্কে সঙ্গীকে সত্য কথা না বলার একটি বড় কারণ হল, বললেই তা নিয়ে কথা শুনতে হবে।


প্রায় ৬০ শতাংশ দম্পতি যৌন মিলনের তুলনায় ব্যাংকের জমা অর্থের পরিমাণ গোনেন বেশি।